নাগরিক ডেস্ক : চিত্রনায়ক শাকিব খানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ছেলেকে নিয়ে একাই পথ চলছেন ঢালিউড কুইন’খ্যাত নায়িকা অপু বিশ্বাস। শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন করতে এই অভিনেত্রী পাড়ি দিয়েছেন কলকাতায়। পরিচিত ও কাছের সবাইকে নিয়ে মেতেছেন দুর্গোৎসবে। যার প্রমাণ মেলে অপুর ফেসবুকে।
তবে এর মধ্যেই কথা উঠেছে, শাকিব খানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অপু বিশ্বাস একাই আছেন। তাহলে তার সিথিতে সিঁদুর পরালো কে? আর এ নিয়ে ফেসবুকজুড়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনাও।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কলকাতার শোভাবাজার রাজবাড়িতে লাল শাড়িতে গত সোমবার অষ্টমীর অঞ্জলি দিয়েছেন অপু। এরপর সকালে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী শোভাবাজার রাজবাড়ির পূজায় উপস্থিত থেকে পুষ্পাঞ্জলি দেন তিনি। এর পাশাপাশি পূজার কাজেও অংশ নেন ঢাকাই সিনেমার এই নায়িকা।
পাশাপাশি রাজবাড়ি অন্দর ঘুরে দেখেন অপু। ছিলেন দিনভর খোশ মেজাজে। আর রাজবাড়ির সদস্যদের সঙ্গেও আড্ডা দেন বাংলাদেশের এই চিত্রনায়িকা। আর বিজয়া দশমীতে কলকাতায় সিঁদুর খেলায় মাতেন অপু বিশ্বাস।
এই চিত্রনায়িকা সিথিতে সিঁদুর পরা কিছু ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেন। যেখানে দেখা যায়, গাড়ি বসে আছেন অপু। তার সিথিতে আছে সিঁদুর। আবার উৎসবস্থানেও সেলফিতে ক্যামেরাবন্দি হন তিনি। অপুর সে ছবিগুলোতে অনেকেই নেতিবাচক মন্তব্য করেছে।
আব্দুর রাজ্জাক নামের একজন লিখেছেন, ‘আপনার তো স্বামী নেই, আপনি মাথায় সিঁদুর দিচ্ছেন দিদি।’
উম্মে হাবিবা নুপুর নামে একজন লিখেছেন, ‘অপু বিশ্বাস সিঁদুর পড়ছে কেন? এই বিষয়টা আমার অবুঝ মাথায় ডুকছে না।’
ফাতেমা লিখেছেন, ‘সিথিতে সিঁধুর কেন?’
লাভলি সুলতানা নামে একজন লিখেছেন, ‘অপুর স্বামী তো হিন্দু না, তাহলে মাথায় সিঁদুর কেন? হিন্দুরা মাথায় সিঁদুর না দিলে তাদের স্বামীর অমঙ্গল হয় তাই তারা সিঁদুর দেয়। কিন্তু অপুর স্বামী মুসলিম আর সে তালাকপ্রাপ্ত তাহলে কোনো যুক্তিতে সিঁদুর পড়ে অপু বিশ্বাস।’

The post has motivated us to make changes. The author have given some fantastic advice. Thanks for posting.
Thanks for sharing. I read many of your blog posts, cool, your blog is very good.
Thanks for sharing. I read many of your blog posts, cool, your blog is very good. https://accounts.binance.info/pt-PT/register-person?ref=KDN7HDOR
I don’t think the title of your article matches the content lol. Just kidding, mainly because I had some doubts after reading the article.