নাগরিক রিপোর্ট ॥ বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী বন্দরে বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে স্বর্ণলংকারের দোকানে গণডাকাতির ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করেত পারেনি পুলিশ। ডাকাতরা বন্দরের ৬টি স্বর্ণলংকারের দোকান থেকে কমপক্ষে ৬০ ভরি স্বর্ণ, শতাধিক ভরি রূপা এবং কয়েকলাখ টাকা লুট করে নেয়। ওই ঘটনায় বাকেরগঞ্জ থানায় দুটি মামলা দায়ের হয়েছে। এদিকে এ ঘটনার রহস্য উদঘটন না হওয়ায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এলাকায়।
ঘটনার শিকার স্বর্ণলংকারের দোকান মালিকরা অভিযোগ করেছেন, এতো বড় বন্দরে গনডাকাতির পরও কাউকে আটক না করতে পাড়া রহস্যজনক। ডাকাতির পর বাবুল নামে একজনকে আটক করা হলেও তা প্রকাশ করছে না পুলিশ। তাছাড়া ডাকাতির রাতে পুলিশের ভুমিকা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যদিও ডাকাতদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে হামলায় আহত হন বাকেরগঞ্জ থানার সহকারী উপ পরিদর্শক মো. জসিম। তাকে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জানা গেছে, পুলিশের একটি টহল টিমের সদস্যদের বেধে স্বর্নের দোকানে গন ডাকাতি করে।
জানতে চাইলে বাকেরগঞ্জ থানার ওসি মো: আবুল কালাম বলেন, এখন পর্যন্ত কাউকে ধরতে পারেননি তারা। বলার মত উল্লেখযোগ্য কোন অগ্রগতিও নেই। তবে রতন কর্মকার নামে একজন স্বর্ন ব্যবসায়ী মামলা দায়ের করেছেন। বাবুল ডাকাতকে আটক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এধরনের কাউকে আটক করা যায়নি।
এব্যপারে বাকেরগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার সাঈদ বলেন, ডাকাতির ঘটনায় ২টি মামলা হয়েছে। তারা চেস্টা করছেন ডাকাতির রহস্য উদঘটনের। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।
২০১৯-০৯-২১
