নাগরিক রিপোর্ট ॥ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শেরে বাংলা হলের কেন্টিনের ফ্রিজ থেকে ছাত্রদের কেনা বিশ হাজার টাকার ইলিশ লোপাটের ঘটনা ঘটেছে। মা ইলিশ রক্ষায় মাছ বিক্রি ও ধরার ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগের দিন মঙ্গলবার রাতে দাম কম হওয়ায় প্রায় বিশ হাজার টাকার মাছ কিনে কেন্টিনের ফ্রিজে রেখেছিলেন হলের কয়েকজন আবাসিক শিক্ষার্থী। শুক্রবার সকালে তারা গিয়ে ফ্রিজে কোন মাছ পাননি। এ ঘটনায় শেরেবাংলা হলের কেন্টিন ব্যবস্থাপক ফজলুল হক ওই শিক্ষার্থীদের ইলিশ মাছ পুনরায় কিনে দেয়ার অঙ্গিকার করেছেন।
শেরেবাংলা হলের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, গত মঙ্গলবার রাতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শরিফুল ইসলাম, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ইমরান হোসেন ও মোক্তার হোসেন প্রায় ২০ হাজার টাকার মাছ কিনে কেন্টিনের ফ্রিজে রেখেছিলেন। শরিফুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগের রাতে তারা কয়েকজনে মিলে বিভিন্ন বাজার ঘুরে ইলিশ মাছ কিনে কেন্টিনের ফ্রিজে রেখেছিলেন। পূজার ছুটিতে ওই মাছ নিয়ে তাদের বাড়ি যাওয়ার কথা ছিল। শরিফুল ইসলাম অভিযোগ করেন, শুক্রবার সকালে কেন্টিনে গিয়ে তিনি ফ্রিজে কোন মাছ পাননি। মোক্তার হোসেন বলেন, পূজার ছুটিতে কুমিল্লার গ্রামের বাড়িতে বরিশালের ইলিশ নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি মাছ কিনে ফ্রিজে রেখেছিলেন। কিন্তু কেন্টিনের ফ্রিজ থেকে সে মাছ উধাও হয়েগেছে।
শেরেবাংলা হলের কেন্টিন ব্যবস্থাপক ফজলুল হক বলেন, ছুটির কারণে কয়েকদিন কেন্টিন বন্ধ ছিল। তিনিও ছুটি কাটাতে বরিশালের বাইরে ছিলেন। তাই ফ্রিজে রাখা মাছগুলো কি হয়েছে তা বলতে পারবেন না। তবে যতগুলো মাছ লোপাট হয়েছে তা সবই তিনি কিনে দেয়ার অঙ্গিকার করেছেন।
এ ব্যাপারে শেরেবাংলা হলের প্রভোস্ট সহকারী অধ্যাপক ইব্রাহিম মোল্লা বলেন, ক্যান্টিনে মাছ রাখার বিষয়টি আমার জানা নেই। অবশ্য এটি শিক্ষার্থীরা ব্যবহার করতে পারে না। এরকম ঘটনা আগে ঘটেনি। হল প্রশাসন এর পক্ষ থেকে অনুমতি দেয়াও হয়নি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞাকালীন কেন এতো ইলিশ ছাত্ররা রেখেছে তা তদন্ত করে দেখা হবে। (বিশেষ সংরক্ষিত)
২০১৯-১০-১১
