নাগরিক ডেক্স : ‘আমি গাঁজার ব্যবসা করি না, গাঁজা কি চিনি না। আমি বিধবা, গরিব মানুষ। ছয় ছেলে-মেয়ে নিয়ে অনেক কষ্টে সংসার চালাই। আমি নির্দোষ, আমাকে ছেড়ে দিন।’
নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বুধবার (২৭ নভেম্বর) সকালে ভৈরব থানা হাজতে কেঁদে কেঁদে পুলিশের কাছে এমন মিনতি করেন শেফালী বেগম। তিনি ভৈরব উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা।
শেফালী বেগম বলেন, ‘মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) রাতে সাদা পোশাকের লোকজন বাড়ি এসে ঘরে গাঁজা পেয়েছে দাবি করে আমাকে ধরে থানায় নিয়ে আসে। কিন্তু গাঁজা কি তা আমি চিনি না। এখন আমার সন্তানদের কি হবে।’
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভৈরব মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মঙ্গলবার রাতে উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রাম থেকে ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ শেফালী বেগমকে গ্রেফতার করে। রাতেই শেফালীকে ভৈরব থানা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক মো. আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে শেফালীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শেফালী বেগম ২০০ গ্রাম গাঁজা বিক্রির উদ্দেশ্যে ঘরে রেখেছিলেন। ওই গাঁজাসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। সকালে তাকে কিশোরগঞ্জ আদালতে নেয়া হয়। সেখান থেকে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
শিবপুর ইউনিয়নের মেম্বার মো. লিল মিয়া বলেন, শেফালী বেগম নিরীহ মানুষ। বিধবা হওয়ার পর ছয় ছেলে-মেয়েকে নিয়ে কষ্ট করে সংসার চালান। তিনি গাঁজার ব্যবসা করেন বিষয়টি সঠিক নয়। তবে তার ছেলে সজীব গাঁজা খায়- এটা সবাই জানে।
‘আমি গাঁজার ব্যবসা করি না, গাঁজা কি চিনি না। আমি বিধবা, গরিব মানুষ। ছয় ছেলে-মেয়ে নিয়ে অনেক কষ্টে সংসার চালাই। আমি নির্দোষ, আমাকে ছেড়ে দিন।’
নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বুধবার (২৭ নভেম্বর) সকালে ভৈরব থানা হাজতে কেঁদে কেঁদে পুলিশের কাছে এমন মিনতি করেন শেফালী বেগম। তিনি ভৈরব উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা।
শেফালী বেগম বলেন, ‘মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) রাতে সাদা পোশাকের লোকজন বাড়ি এসে ঘরে গাঁজা পেয়েছে দাবি করে আমাকে ধরে থানায় নিয়ে আসে। কিন্তু গাঁজা কি তা আমি চিনি না। এখন আমার সন্তানদের কি হবে।’
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভৈরব মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মঙ্গলবার রাতে উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রাম থেকে ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ শেফালী বেগমকে গ্রেফতার করে। রাতেই শেফালীকে ভৈরব থানা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক মো. আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে শেফালীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শেফালী বেগম ২০০ গ্রাম গাঁজা বিক্রির উদ্দেশ্যে ঘরে রেখেছিলেন। ওই গাঁজাসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। সকালে তাকে কিশোরগঞ্জ আদালতে নেয়া হয়। সেখান থেকে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
শিবপুর ইউনিয়নের মেম্বার মো. লিল মিয়া বলেন, শেফালী বেগম নিরীহ মানুষ। বিধবা হওয়ার পর ছয় ছেলে-মেয়েকে নিয়ে কষ্ট করে সংসার চালান। তিনি গাঁজার ব্যবসা করেন বিষয়টি সঠিক নয়। তবে তার ছেলে সজীব গাঁজা খায়- এটা সবাই জানে।
