নাগরিক রিপোর্ট ॥ বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি বলেছেন, যেসব জেলা প্রশাসক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌশলী, মুক্তিযুদ্ধে শহীদের স্ত্রী ও মুক্তিযোদ্ধাদের রাজাকারের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করে তালিকা পাঠিয়েছেন তাদের অব্যহতি দিয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া উচিত। বিতর্কিত রাজাকার তালিকা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ পরিবারকে চরম অপমান করা হয়েছে। বিষয়টি কেবল কর্তব্য অবহেলা নয়, এর পেছনে অন্য কোন উদ্দেশ্য আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। দেশবাসী আশা করে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর পূর্বে মুক্তিযোদ্ধা ও রাজাকারদের তালিকা নিয়ে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করা হবে।
মঙ্গলবার বিকেলে ওয়ার্কার্স পার্টির বরিশাল জেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাশেদ খান মেনন আরো বলেন, উপজেলা পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রনয়নে যে কেলেংকারী হয়েছে তার ধারাবাহিকতায় রাজাকারের তালিকা প্রনয়নেও এমন ঘটনা ঘটেছে। তিনি রাজাকারের তালিকায় বরিশালের শহীদ সুধীর চক্রবর্তীর স্ত্রী প্রয়াত উষা চক্রবর্তী ও তার ছেলে মুক্তিযোদ্ধা তপন চক্রবর্তীর নাম অন্তর্ভূক্ত করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি নজরুল হক নিলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিনিধি সভায় আরো বক্তব্য রাখেন কমরেড রুস্তম আলী খান, মোঃ আলী বিটু, অনিমেশ হালদার, জেলা সম্পাদক শেখ মোঃ টিপু সুলতান প্রমুখ। বক্তারা আগামী ১৩ জানুয়ারির পার্টির বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার আহ্বান জানান।
২০১৯-১২-১৭
