নাগরিক রিপোর্ট: পিরোজপুরের স্বরূপকাঠী উপজেলার দৈয়ারী ইউনিয়নের খাড়াবাঘ গ্রামে ৫৫ বছরের বৃদ্ধের ধর্ষণের শিকার হয়েছে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী (১১)। শুক্রবার বিকালে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে বরিশাল শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার র্যাব-৮ অভিযুক্ত বৃদ্ধ আশরাফ আলীকে গ্রেফতার করেছে। নির্যাতিতা ওই শিশু স্থানীয় খাড়াবাঘ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রী। বাবা-মা দিনমজুরের কাজ করেন।
শিশুটির মামা বিধান চন্দ্র হালদার জানান, শুক্রবার শিশুটির বাবা-মা দিনমজুরের কাজ করতে বাড়ির বাইরে ছিলেন। তাদের বাড়ির সামনেই অভিযুক্ত আশরাফ আলীর মুদি দোকান। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে আশরাফ শিশুটিকে ফুসলিয়ে তার নিজের ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষন করে। আশরাফ আলীর স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা অন্যত্র বেড়াতে যাওয়ার সুযোগে এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে বিধান চন্দ্র জানান।
তিনি আরও জানান, সন্ধায় শিশুটির মা বাড়িতে ফিরলে মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে সে মুদী দোকানী আশরাফ আলী কর্তৃক নির্যাতিত হওয়ার কথা জানায়। তাকে প্রথমে স্বরূপকাঠী হাসপাতালে ও পরে শেবাচিম হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
শেবাচিম হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, ধর্ষনের শিকার শিশুটির অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে গাইনী ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে। সেখানে তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে।
এ প্রসঙ্গে শিশুটি ধর্ষিত হয়নি, ধর্ষনের চেস্টা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পিরোজপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাইনুল হাসান। এ ঘটনায় ওই শিশুটির বাবা আশরাফ আলীকে আসামী করে স্বরূপকাঠী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ।
এদিকে অভিযুক্ত ধর্ষক র্যাব-৮’র এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, শনিবার দুপুরে আশরাফ আলীকে স্বরূপকাঠী উপজেলা সদর থেকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে স্বরূপকাঠী থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
২০২০-০২-০৮
