নাগরিক রিপোর্ট: করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সোমবার থেকে শেবাচিম হাসপাতালে ২০ শয্যা বিশিস্ট আইসোলেশন ওয়ার্ড এর কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। হাসপাতালেল নির্মানাধীন ভবনে নতুন এ ওয়ার্ডের কার্যক্রম শুরু করা হয়। পর্যায়ক্রমে ১৩০ থেকে ১৫০ শয্যায় উন্নিত করা হবে এ ওয়ার্ডকে। এধরনের সন্দেহপ্রবন রোগীকে অবজারভেশনের জন্য নতুন এ ওয়ার্ডে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন।
পরিচালক ডা: বাকির বরিশালবাসীর উদ্দেশ্য বলেন, দেশে ৩জন করোনা রোগী সনাক্ত হলেও এতে আতংকিত বা শংকিত হওয়ার কিছুই নেই। বরিশালে এধরনের রোগীর সেবায় শেবাচিম হাসপাতালে অবজারভেশনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এই মুহর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সচেতনতা। পাশাপাশি একটু পরপর পানি পান করতে হবে। পরিহার করতে হবে জনসমাগম। তিনি বলেন, আশার কথা হল এ ভাইরাসে মৃত্যুর হার শতকরা ২ ভাগেরও কম। শিশুরা আক্রান্ত হয়েছে এমন নজিরই নেই। আক্রান্তের দিক থেকে তরুন, যুবকদের সংখ্যাও কম। তবে বয়স্কদের ক্ষেত্র অধিক সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ডা: বাকির ।
পরিচালক জানান, বরিশালের করনো ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এমন কোন রোগী নেই। তবে সন্দেহপ্রবন এধরনে রোগীদের সোমবার থেকে নতুন ভবনের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানে দেড়শ থেকে ২শ রোগী থাকার ব্যবস্থা করা হবে। তবে প্রথম দিকে ২০টি বেড দিয়ে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। পাশাপাশি মাস্ক, গাউন, প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধসহ সব ধরনের জিনিসপত্র পর্যাপ্ত রাখা হয়েছে আইসোলেশন ওয়ার্ডে।
পরিচালক বলেন, ভাইরাস মোকাবেলায় ৪ সদস্যের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি কমিটিও করা হয়েছে। কমিটির প্রধান মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ। হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এ কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আইসোলেশন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব:) জাহিদ ফারুক এমপি।
২০২০-০৩-০৯
