নাগরিক রিপোর্ট: বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় শনিবার ছাত্রলীগের দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, বসতবাড়ি হামলা ভাংচুরের ঘটনায় পৃথক ৩টি মামলা দায়ের হয়েছে। গৌরনদী থানায় দায়ের হওয়া তিন মামলায় মোট আসামী করা হয়েছে নামধারী ৬১ জন এবং অজ্ঞাত প্রায় ৮০ জন। গৌরনদী থানার ওসি মো. গোলাম ছরোয়ার তিন মামলা দায়েরের তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ এ পর্যন্ত ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে।
জানা গেছে, গৌরনদী উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য রাশেদুজ্জামান ঝিলামের স্ত্রী শারমিন জাহান (৪০) বাদী হয়ে ১৮ জন নামধারী ও অজ্ঞাতনামা ৪০/৫০ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন। গৌরনদী সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি সুমন মাহমুদের নেতৃত্বে আসামীরা বাসায় ঢুকে ঝিলাম ও শারমিনকে মারধর এবং আসবাবপত্র ভাংচুর করেছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। ঝিলামের সমর্থক হিসাবে পরিচিত দক্ষিণ পালরদী এলাকার ছাত্রলীগের কর্মী সাদ্দাম হোসেন বাদী হয়ে আকেরটি মামলা দায়ের করেন।
এ মামলায়ও সুমন মাহমুদসহ ৩২ জন নামধারী ও অজ্ঞাতনামা ১৫/২০ জনকে আসামী করা হয়েছে। সাদ্দাম হোসেনসহ আরও কয়েকজনের মোটরসাইকেল ভাংচুর ও মারধরে অভিযোগে মামলাটি দায়ের হয়। অপরদিকে সুমন মাহমুদের বাসায় হামলা ভাংচুর ও মারধরের অভিযোগ এনে পাল্টা মামলা দায়ের করেছেন সুমনের মা মিনারা বেগম (৫০)।
উল্লেখ্য, গৌরনদী পৌর শহরের উত্তর বিজয়পুর এলাকায় একটি ডোবা বালু দিয়ে ভরাটের কর্তৃত্ব নিয়ে বিরোধের জের ধরে শনিবার দুপুরে ও বিকালে কয়েকদফায় ছাত্রলীগের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় হামলা-পাল্টা হামলায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য রাসেদুজ্জামান ঝিলাম, গৌরনদী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি সুমন মাহমুদের বাসা এবং ১০/১২টি মোটরসাইকেল ভাংচুর করা হয়।
২০২০-০৪-০৫
