লঞ্চ থেকে শিক্ষিকার নদীতে ঝাঁপ, উদ্ধার করে পরিবারে হস্তান্তর

Spread the love

নাগরিক রিপোর্ট: বরিশাল থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে এমভি সুন্দরবন-১০ লঞ্চ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়েন মুক্তা আক্তার ফাল্গুনি (২৬) নামের এক স্কুল শিক্ষিকা। শনিবার রাত ১০টার দিকে কীর্তনখোলা ও আড়িয়াল খা নদীর মোহনায় ওই শিক্ষিকা আকস্মিক ঝাপিয়ে পড়েন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পরে ওই নারীকে চরমোনাই ইউপির রাজাপুর নামক এলাকা সংলগ্ন নদী থেকে স্থানীয় জেলেরা জীবিত উদ্ধার করে। রোববার সকালে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সুন্দরবন-১০ লঞ্চের মাস্টার মজিবর রহমান বলেন, ওই শিক্ষিকার সাথে মা ও খালা ছিল। তারা লঞ্চের ডেকে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। রাত ১০টার দিকে লঞ্চটি তালতলী ও চরমোনাই নদী মোহনায় গেলে দ্বিতীয় তলা থেকে শিক্ষিকা আকস্মিক ঝাপিয়ে পড়েন। মাস্টার মজিবর বলেন, তাৎক্ষনিক তারাসহ আরও কয়েকটি লঞ্চ এর স্টাফরা সার্চ লাইট মেরে এবং মাইকিং করে ঝাপ দেয়া যাত্রীকে উদ্ধারের চেস্টা করেন। জেলেদেরও অবহিত করেন।

লঞ্চের একাধিক যাত্রী জানান, লঞ্চের দ্বিতীয় তলায় পেছনের অংশে বাম পাশে স্থান নিয়ে মুক্তা তার মা ও খালার সাথে কথা বলছিলেন। আকস্মিক তাকে উত্তেজিত হয়ে দৌড়ে নদীতে পড়ে যেতে দেখেন। সাথে সাথে লঞ্চটি ঘুরিয়ে ঘটনাস্থলে গেলেও তার সন্ধান পায়নি। পরে লঞ্চের স্টাফরা মাইকিং স্থানীয় জেলেদের অবহিত করেন।
সুন্দরবন-১০ লঞ্চের সুপারভাইজার হারুন অর রশিদ জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে শিক্ষিকা মুক্তা আক্তার ফাল্গুনিকে চরমোনাই ইউপির রাজাপুর নামক এলাকা সংলগ্ন নদী থেকে স্থানীয় জেলেরা জীবিত উদ্ধার করে। শিক্ষিকা মুক্তা ভোলায় একটি প্রাথমকি বিদল্যালয়ে শিক্ষকতা করেন।

এব্যপারে বরিশাল সদর নৌ-পুলিশের ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, জেলেরা নারীকে উদ্ধার করে চরমোনাইর ইউপি সদস্য জুয়েল ও আল আমিন চৌকিদারের তত্বাবধানে রাখা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রোববার সকালে শিক্ষিকাকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *