নাগরিক রিপোর্ট: নুরু বাবুর্চী ওরফে নুরু ডাকাত ১৪ বছর কারাভোগের পর মুক্তি পেয়ে প্রথমে কুপিয়েছে আপন চাচাত ভাই কাঞ্চন বাবুর্চীকে। এরপরে আপন-ভাই দুলাল বাবুর্চী ও তার স্ত্রী নিলুফা বেগমকে নির্মমভাবে কোপায়। বৃহস্পতিবার রাতে তার নির্মমমতার শিকার হয় কাঞ্চন বাবুচীর ছেলে শহীদ বাবুর্চী।
তাকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে নির্মমভাবে কোপানো হয়। মাত্র ৬ মাসের মধ্যে নিজ পরিবারেরই তিনজনকে কুপিয়ে পঙ্গু করে দিয়েছে নুরু ডাকাত। তার হামলার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন গ্রামের আরও অনেকে। নুরু বাবুর্চী ওরফে নুরু ডাকাত হিজলার উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামের হাশেম বাবুচীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, গুয়াবাড়িয়ার সীমানা সংলগ্ন মুলাদী উপজেলায় থাকে নুরুল ডাকাত। সন্ধার পর ঝটিকা গুয়াবাড়িয়ায় ঢুকে তার টার্গেট ব্যক্তিকে নির্মমভাবে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। কে কখন তার হামলার শিকার হয় এমন আতংক বিরাজ করছে কোড়ালিয়া ও আশপাশের কয়েকটি গ্রামে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর কাউরিয়া বাজারে আতর্কিত হামলা করে নির্মমভাবে কোপানো হয় শহীদ বাবুর্চীকে। তিনিও পঙ্গু হওয়ার আশংকা করছেন স্বজনরা।
গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহজাহান তালুকদার বলেন, নুরু বাবুর্চী ভয়ংকর লোক। অস্ত্র মামলায় ১৪ বছর কারাভোগ করে গতবছর জুলাইতে মুক্তি পেয়েছে। এরপরই সে একে একে প্রতিপক্ষকে কুপিয়ে জখম করছে। পুলিশ তাকে দ্রæত গ্রেফতার না করলে এলাকায় যে কেউ হত্যার শিকার হতে পারেন।
এ ঘটনায় তার কয়েক সহযোগীও রয়েছে। গুয়াবাড়িয়ার স্থানীয় সুত্রগুলো জানিয়েছে, ২০-২২বছর আগে নুরু বাবুর্চি নির্যাতনের শিকার হয়ে এলাকা ছেড়েছেন মাওলানা নজরুল ইসলাম ও তার পরিবার। ওই সময় নুরু বাবুর্চি দিনদুপুরে দাদা শ্বশুরের কান কেটে সেখানে লবন দিয়ে কাউরিয়াা বাজারে উল্লাস করেছিল। সে হিজলা থানায় একাধিক মামলার পলাতক আসামী।
এব্যপারে হিজলা থানার অফিসার ইনচার্জ অসীম কুমার সিকদার বলেন নুরু বাবুর্চি কে ধরার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে। কিন্তু তার খোঁজ মিলছে না।
