বর্জন-দখলে শেষ বানারীপাড়া-মুলাদীর ভোট

Spread the love

নাগরিক রিপোর্ট:
বর্জন আর দখলের মধ্য দিয়ে বরিশালের দুই পৌরসভায় রবিবার ভোট গ্রহন শেষ হয়েছে। জেলার বানারীপাড়া পৌর নির্বাচনে অনিয়ম, কেন্দ্র দখল ও কারচুপির অভিযোগে ভোট বর্জন করেছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী এবং বিএনপি প্রার্থী। দিনভর এ পৌরভোটে এজেন্ট বের করে দেয়াসহ মেয়র পদে নৌকা প্রতিকে সিল মারার অভিযোগ উঠেছে। অপরদিকে মুলাদী পৌরসভায় কেন্দ্র দখল করে মেয়র পদে নৌকা প্রতিকে ভোট দিতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে আ’লীগের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। তবে উভয় পৌরসভায়ই ভোটার উপস্থিত ছিল ব্যাপক।

রবিবার বেলা সাড়ে ১২টায় নানা অভিযোগ এনে বানারীপাড়া পৌরনির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জিয়াউল হক মিন্টু ও বিএনপির মেয়র প্রার্থী রিয়াজ আহমেদ মৃধা ভোট বর্জনের ঘোষনা দেন।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জিয়াউল হক মিন্টু বলেন, ভোটে তার এজেন্টদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে বাধা, নৌকায় ভোটারদের ভোট দিতে বাধ্য করে কারচুপি করা হয়েছে। এমন কারচুপির কারনে তিনি ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

অপরদিকে বিএনপির প্রার্থী রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, তার পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছে আ’লীগের লোকজন। ভোটারদের মেয়র পদে ভোট দিতে দেয়া হয়নি। যেকারনে তিনি ভোট বর্জন করেছেন।

তবে নৌকা প্রতিকে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সুভাষ চন্দ্র শীল বলেছেন, ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছেন। জনসমর্থন না থাকায় দুই প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাড়াতে পারেন।

বানারীপাড়া পৌরসভায় রিটার্নিং কর্মকর্তা মো: নুরুল আলম বলেন, ভোটার উপস্থিতি বেশ ভাল এবং পরিবেশও শান্ত ছিল নির্বাচনে।
এদিকে মুলাদী পৌর নির্বাচনে সকাল সাড়ে ৮টায় ৮নং চরডিগ্রী সিনিয়র দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে সকালে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কৃত বিদ্রোহী প্রার্থী দিদারুল আহসান খানের এজেন্ট বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই অভিযোগ ছিল ৫নং মুলাদী কলেজ কেন্দ্র থেকে পাওয়া গেছে। মেয়র পদে ভোট দেখিয়ে দেয়ার জন্য নৌকার মেয়র প্রার্থী শফিকুজ্জামান রুবেলের অনুসারীদের কেন্দ্রে কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তবে মুলাদীর সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শওকত হোসেন জানান, বড় ধরনের কোন সহিংসতা ছাড়াই ভোট শান্তিপূর্নভাবে শেষ হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *