নাগরিক রিপোর্ট:
বরিশালে এক মিডিয়া ডায়লগে বক্তারা বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনকে অস্তিত্বের সংকট হিসেবে বিবেচনা করে উপকূলীয় এলাকায় অভিযোজন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য পরিকল্পনা ও পর্যাপ্ত বরাদ্দের সংস্থান করতে হবে। অভিযোজনের উদ্যোগ নিলে মোট ক্ষতির ৬০ শতাংশ হ্রাস করা সম্ভব। এক্ষেত্রে সচেতনতা ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার পাশাপাশি সমন্বিত উদ্যোগের দাবি তুলেছেন বরিশালের তরুণ জলবায়ু কর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। রবিবার ‘বরিশালের জলবায়ু বিপদাপন্নতা, অভিযোজন পরিকল্পনা ও উত্তরণের পথ’: প্রেক্ষিত তারুণ্যের উদ্যোগ বিষয়ক এক মিডিয়া ডায়লগে অংশ নেয়া বক্তারা এসব কথা বলেন।
আসন্ন জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন কপ২৬ সম্মেলনকে ঘিরে যুব নেটওর্য়াক ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস জুম মিটিং এ এই সংলাপের আয়োজন করে। সোহানুর রহমানের সঞ্চালনায় সংলাপে মূল বরিশালের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার অংশগ্রহন করেন। সংলাপে তথ্যপত্র উপস্থাপন করেন ইয়ুথ ক্লাইমেট অ্যাম্বাসেডর সায়লা শবনম রিচি, হাফিজুল ইসলাম রুম্মন, মাহমুদুল হক মাহিম ও মুনেম শাহরিয়ার।
বরিশালে জলবায়ু সংকটজনিত সমস্যা সমূহ চিহ্নিত করণ এবং সমস্যা উত্তরণে তরুণদের ভাবনা শীর্ষক একটি মাঠ নিরীক্ষা প্রতিবেদনের উপরে সংলাপে বরিশালের অর্ধশত গণমাধ্যমকর্মী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও তরুণ জলবায়ু কর্মীরা আলোচনায় অংশ নিয়েছেন।
