নাগরিক রিপোর্ট:
‘বরিশালের সংবাদিকরা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করেন। সংবাদপত্রে তাদের উপস্থাপন করা বেশীরভাগ তথ্যই থাকে নির্ভূল। বরিশাল বিভাগে অপরাধ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদগুলো যাচাইবাছাই করে আমি বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। এজন্য বরিশালের সাংবাদিকরা যথাযথ সম্মান পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন’- একথা বলে চেয়ার থেকে দাড়িয়ে সাংবাদিকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করলেন বরিশাল রেঞ্জের উপ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এস এম আক্তারুজ্জামান।
রেঞ্জ ডিআইজি’র দপ্তরের এক পরিসংখ্যানে সম্প্রতি বরিশালের সংবাদপত্রে প্রকাশিত ২৫৮টি সংবাদের মধ্যে ২৩৪টিরই সত্যতা মিলেছে।
পুলিশের দৈনন্দিন কার্যক্রমগুলো ডিজিটাল পদ্ধতিতে মনিটরিং নিয়ে রোববার জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিলশেড মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান এভাবে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন।
এস এম আক্তারজ্জামান গত ১ জুলাই বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি পদে যোগদান করেন। তিনি বলেন, এরপর থেকেই তিনি স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকে অপরাধ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদগুলো নিয়মিত কাটিং করে খোঁজ খবর নেয়া শুরু করেন। এ পর্যন্ত ২৫৮টি সংবাদ যাচাই-বাছাই করে ২৩৪টি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হয়েছেন। তিনি এসব ঘটনায় স্থানীয় পুলিশের ভূমিকার বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন।
রেঞ্জ ডিআইজি বলেন, খোঁজখবর নেয়া ওই ২৩৪টি সংবাদের যথার্থতা প্রমান করে বরিশালে হলুদ সাংবাদিকতা নেই, সবাই সবুজ সংবাদিকতা করেন। তিনি বলেন, বরিশাল বিভাগের পুলিশ বাহিনীতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহীতা, গতি ও আধুনিকতা আনতে ডিজিটাল অটোমোটেড রিপোটিং এবং মনিটরিং ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন। এ পদ্ধতিতে বরিশাল রেঞ্জের আওতায় ৭টি ড্যাশবোর্ড পরিচালিত হচ্ছে। এসব কার্যক্রমে তিনি বরিশালের সংবাদকর্মীদের সার্বিক সহযোগীতা চান।
বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেনসহ পুলিশ বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।
