নাগরিক রিপোর্ট ॥ “বাবার পেটে লাথি পড়লে আমাদেরও পেটে লাথি পড়ে” ব্যাতিক্রমী এ শ্লোগান নিয়ে বরিশালে মানববন্ধন করেছে একদল শিক্ষার্থী। তাদের সকলের বাবা ব্যাটারিচালিত রিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। গত ১৯ আগষ্ট থেকে নগরীতে ব্যাটারিচালিত রিক্সা চলাচল বন্ধ করে দেয়ায় ওদের বাবারা বেকার হয়ে পড়েছেন। ফলে অনাহারে-অর্ধাহারে কাটাচ্ছেন তাদের পরিবার। শিক্ষাজীবন হয়ে পড়েছে অনিশ্চিত।
মঙ্গলবার জাতীয় শিক্ষা দিবস উপলক্ষে এসব পরিবারের স্কুল-কলেজগামী সন্তানরা নগরীর অশ্বিনী কুমার সংলগ্ন সদর রোডে ব্যাতিক্রমী শ্লোগান নিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে। তারা শিক্ষাজীবন বাঁচাতে তাদের বাবাদের রিক্সা চালানোর অনুমতি দেয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আকুতি জানিয়েছে। এসময় তারা বলেন, বরিশালবাসীর কাছে আকুল আবেদন, আমাদের বাবার জীবিকা রক্ষা করুন, আমাদের বাঁচতে দিন। বাবা বেকার হলে বাঁচবো কি য়েখে।
প্রশাসন ও সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বক্তরা এসময় বলেন, বেকার রিকশাওয়ালাদের সন্তানরা পিতার জীবিকা ও তাদের শিক্ষাজীবন রক্ষার জন্য রাস্তায় এসে দাঁড়িয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন রিক্সা শ্রমিকের সন্তান নবম শ্রেণীর ছাত্রী মানসুরা লামিয়া, তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী হীরা আক্তার, রিক্সা শ্রমিকের সন্তান আলী আকবর ও সুজন আহমেদ এবং ব্যাটারিচালিত রিক্সা শ্রমিক সংগ্রাম কমিটির উপদেষ্টা ডা. মণীষা চক্রবর্তী ও ছাত্রফ্রন্টের জেলা সাধারন সম্পাদক মোজাম্মেল হক সাগর।
২০১৯-০৯-১৭
