সৈয়দ জুয়েল ॥ জয়ের কাছাকাছি যখন, আর ঠিক তখনই পূর্ব পাকিস্তানের মিলিটারী উপদেস্টা রাও ফরমান আলী খাঁনের কুরুচিপূর্ণ নীল নকশা অনুসারে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের উপর হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। পরাজয় সুনিশ্চিত জেনে, পরবর্তী সময় নুতন দেশ গঠনে জাতিকে মেধাশূন্য করাই ছিল তাদের মুল লক্ষ্য।
এরই ধারাবাহিকতায় সেই সময়ের সব খ্যাতনামা কবি, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, গবেষক, চিকিৎসক, শিক্ষাবিদদের কারো বাড়ী থেকে, কাউকে অফিস থেকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে ইতিহাসের নিকৃস্টতম হত্যাকান্ডটি ঘটানো হয়। হাত-পা বেঁধে গুলি করেও ক্ষান্ত হয়নি নরপশুরা, বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে তাদের চেহারাকে বিকৃত করে দিয়েছিলো অনেকের। হত্যার পরে লাশগুলো মিরপুর রায়েরবাজার সহ বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেয়।
বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে অনেকের চেহারা এতটাই বিকৃত করেছিল যে- অনেক স্বজনরা তাদের প্রিয়জনদের লাশটিও শনাক্ত করতে পারেননি। ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর ইতিহাসের এ ন্যাক্কারজনক হত্যাকান্ডের কথা স্মরন করে প্রতিবছর ১৪ই ডিসেম্বর পালন করা হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এ দিনটিতে জাতির শ্রেষ্ঠ সূর্য সন্তানদের শ্রদ্ধাচিত্তে স্মরন করেন পুরো জাতি।

